মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভাষা ও সংস্কৃতি

উলিপুর উপজেলা

 

উলিপুর উপজেলার ভূ-প্রকৃতি ও ভৌগলিক অবস্থান এই উপজেলার ভাষা ও সংস্কৃতি গঠনে ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত এই উপজেলার পূর্বে ভারতের আসাম রাজ্য এবং রংপুর বিভাগের অন্যান্য উপজেলাসমূহ। উলিপুর উপজেলার পূর্বে আসাম, উত্তরে কুড়িগ্রাম সদর, দক্ষিণে চিলমারী ও সুন্দরগঞ্জ এবং পশ্চিমে রাজারহাট ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত। এক সময় রংপুর অঞ্চল কামরুপ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সে কারণে ভাষাগত দিক থেকে ভারতের আসামের আঞ্চলিক ভাষার সাথে এই উপজেলার ভাষার মিল খুজে পাওয়া যায়।যেমন আসামে বলে ময় আমরা বলি মুই। এখানে আঞ্চলিক ভাষার প্রয়োগ বেশী। ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর গতি প্রকৃতি এবং ফকির, সন্ন্যাসীর এই অঞ্চল মানুষের আচর-আচরণ, খাদ্যাভাস, ভাষা ও সংস্কৃতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।

 

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, উলিপুর উপজেলার সভ্যতা বহু প্রাচীণ। এই এলাকায় মহারাণী স্বর্ণময়ীর অবস্থান, ভবানী পাঠকের আগমন, দেবী চৌধুরাণীর বজরায় আগমন, বাহারবন্দ কাচারী, রাণী সত্যবতীর ধামশ্রেণী সিদ্বেশরী মন্দির, দলদলিয়া কাজীরচক মসজিদ এবং আসাম অভিযানে মুঘল সম্রাটের উলিপুর উপজেলাকে ব্যবহার প্রাচীণ সভ্যতার পরিচয় বহন করে।

 

সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে উলিপুর উপজেলার অবদান কম নয়। এই অঞ্চলের ভাওইয়া, চটকা, দোতরা কুশান গান জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃত।যেসব সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা উলিপুর উপজেলায় কাজ করছে সেগুলো হলো উলিপুর ভাওয়াইয়া একাডেমী, ললিত কলা একাডেমী, উদিচি শিল্পী গোষ্ঠী, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমী এবং পাবলিক লাইব্রেরী।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ছবি