মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রাকৃতিক সম্পদ

স্থানীয় প্রাকৃতিক সম্পদঃ

মাটিঃ

উলিপুর উপজেলা তিস্তা পলল ভুমি, সক্রিয় তিস্তা পলল ভূমি ও সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র পলল ভুমি নামক তিনটি ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল নিয়ে গঠিত। শেষোক্ত দুটো অঞ্চল প্রধান অস্থায়ী চরঞ্চল নিয়ে গঠিত। তীব্র নদী ভাংগন ও বর্ষাকালে বন্যা এ অঞ্চল দুটোর প্রধান বৈশিষ্ট। উপজেলার পূর্ব ও পশ্চিম দিক দিয়ে নদী বয়ে যাওয়াতে পলিমাটির স্তর এখানকার মাটিকে বেশ উর্বর করেছে। অধিকাংশ মাটিতে তামা,লৌহ ও ম্যাংগানিজেরা আধিক্য আছে। সিংহ ভাগ মাটির বুনট দোঁআশ হওয়ায় শষ্য বহুমুখীকরনের সুযোগ আছে। প্রধান ফসল ধান ও গম,পাট ফললেও বর্তমানে আলুসহ অন্যান্য শাকশব্জি আবাদের এলাকা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চর এলাকায় তিল, তিসি, চিনা, কাউন, বাদাম, পিঁয়াজ,ভুট্রা ইত্যাদি আবাদের পাশাপাশি করলা,পটল,তরমুজ, মিষ্টি আলু,ক্ষিরা,কুমড়া,বাংগী ইত্যাদি বহুমূখী ফসলের আবাদ সম্প্রসারন সম্ভব।

 

·        জলবায়ুঃ

বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানের মতো এ উপজেলায় ক্রান্তীয় মেৌসুমী জলবায়ুর অন্তর্গত। এখানে ষড় ঋতুর মধ্যে প্রধানতঃতিনটি মেৌসুম জোরালো ভাবে পরিলক্ষিত হয়। বর্ষা মেৌসুমে ৯৩%বর্ষন হয়। শীত কাল অত্যন্ত শুল্ক ও শীতল। গ্রীষ্ম কালে বাতাশ খুবই উত্তপ্ত হয়। মাঝে মাঝে বর্ষনসহ কাল বৈশাখী বাতাস বয়। কিছু কিছু শিলা বৃষ্টি ও হয়।

·        তাপমাত্রাঃ

তাপমাত্রার উপা্ত্ত বিশ্লেষনে দেখা যায় যে,এখানে নিম্ন তাপমাত্রা ডিসেম্বর ও জানুয়ারী মাসে পরিলক্ষিত হয়। যার গড় প্রায় ১৮.১০. সে,পর্যন্ত হতে পারে। চরম উঞ্চ তাপমাত্রা ৪২.৮০.সে,মে মাসে হতে পারে।

 

·        বৃষ্টি পাতঃ

 

বৃষ্টি পাতের উপাত্ত বিশ্লেষনে দেখা যায় যে, শীত কালে গড় বৃষ্টি পাত ৩৩ মিলি মিটার যা বাস্পিভবনের পরিমানের চেয়ে অনেক কম।

·        পানি সম্পদঃভূ-পৃষ্ঠায় পানির উৎস হচেছ নদী,খাল,পুকুর ইত্যাদি। উলিপুর উপজেলার পূর্ব দিকে ব্রক্ষ্মপুত্র নদ ওপশ্চিম দিকে তিস্তা নদী দ্বারা বেষ্টিত। উপজেলার মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে কিছু নদী/খাল প্রবাহিত হয়েছে। সারা বছর এ গুলিতে নাব্যতা থাকে না।

এ উপজেলায় ১২৮২টি পুকুর থাকলেওঅধিকাংশ পুকুরে শুল্ক মেৌসুমে পানি থাকে না। প্রায় সকর পুকুর গৃহস্থলী কাজে ব্যবহ্নত হয়।

·        ভু-গর্ভস্থ পানিঃ

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসের তথ্যানুযায়ী এ উপজেলায় বর্তমানে ২৬টি গভীর নলকুপ ও৩৩১১টি অগভীর নলকুপ চালু অবস্থায় আছে।

·        সেচ ব্যবস্থাঃ

বিভিন্ন সেচ যন্ত্রের মাধ্যমে এ উপজেলায় মোট ৬৭০০ হেক্টর জমি আবাদ করা হচেছ। সেচকৃত ফসলের মধ্যে বোরা ধানও গমই প্রধান। তবে ডাংগার উচু ও মাঝারী জমিতে সেচের সাহায্যে আলু এবংশাকশব্জিও আবাদ করা হচ্ছে।

ছবি